গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩
----------------------------------------------------------------------------------
[মূল ইংরেজী আইনের অনুদিত বাংলা পাঠ]
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩
অধ্যাদেশ নম্বর ৫৮, ১৯৮৩
ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপনকল্পে একটি অধ্যাদেশ
যেহেতু, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন এবং ইহার সহিত সংশ্লিষ্ট বা প্রাসঙ্গিক বিষয়াদি সম্পাদনের জন্য ইহা সমীচীন ও প্রয়োজন;
সেহেতু, এক্ষণে, প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক, ২৪ মার্চ ১৯৮২ তারিখের ঘোষণাবলে এবং এতদুদ্দেশ্যে তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতাবলে নিম্নোক্ত অধ্যাদেশ প্রণয়ন এবং জারী করিতে সদয় সম্মত হইলেন ঃ-
১। সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন।
(১) এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ নামে অভিহিত হইবে।
(২) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, যে তারিখ নির্ধারণ করিবে সেই তারিখে ইহা কার্যকর হইবে।
২। সংজ্ঞা বিষয় বা প্রসঙ্গের পরিপন্থী কোন কিছু না থাকিলে, এই অধ্যাদেশে-
(ক) "বোর্ড" বলিতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব গভর্ণরসকে বুঝাইবে;
(খ) "মহাপরিচালক" বলিতে ধারা ৮ এর অধীন নিয়োগকৃত বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালককে বুঝাইবে;
(গ) "প্রতিষ্ঠান" বলিতে ধারা ৩ এর অধীন স্থাপিত বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে বুঝাইবে;
(ঘ) "নির্ধারিত" বলিতে এই অধ্যাদেশের অধীন বিধি বা প্রবিধান দ্বারা নির্ধারিত বুঝাইবে।
৩। প্রতিষ্ঠান স্থাপন।
(১) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নামে একটি ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকিবে।
(২) প্রতিষ্ঠানটি একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হইবে যাহার স্থায়ী ধারাবাহিকতা ও একটি সাধারণ সীলমোহর থাকিবে এবং স্থাবর ও অস্থাপব উভয় প্রকার সম্পত্তি অর্জন করিবার, অধিকারে রাখিবার এবং হস্তান্তরের ক্ষমতা থাকিবে এবং উপরিউক্ত নামে উহার নামে উহার পক্ষে বা বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইবে।
৪। সাধারণ নির্দেশনা।
(১) এই অধ্যাদেশের অধীন প্রণীত বিধি ও প্রবিধানমালা সাপেক্ষে, প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী পরিচালনা ও প্রশাসন বোর্ড অব গভর্ণরসের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং প্রতিষ্ঠান যে সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে বোর্ডও সেই সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কার্য সম্পাদন করিতে পারিবে।
৫। বোর্ড
- নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে বোর্ড গঠিত হইবে, যথা ঃ-
(ক) ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত মন্ত্রী, যিনি এই বোর্ডের চেয়ারম্যানও হইবেন;
(খ) সচিব, অর্থ বিভাগ, পদাধিকারবলে;
(গ) সচিব, শিক্ষা বিভাগ, পদাধিকারবলে;
(ঘ) সচিব, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিভাগ, পদাধিকারবলে;
(ঙ) ক্যাডেট কলেজসমুহের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান, পদাধিকারবলে;
(চ) চেয়ারম্যান, জাতীয় ক্রীড়া নিয়ন্ত্রন বোর্ড, পদাধিকারবলে;
(ছ) চেয়ারম্যান, আর্মি স্পোর্টস কন্ট্রোল বোর্ড, পদাধিকারবলে;
(জ) মহাপরিচালক, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর, পদাধিকারবলে;
(ঝ) মহা-সচিব, বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন, পদাধিকারবলে; এবং
(ঞ) প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক, পদাধিকারবলে যিনি বোর্ডের সদস্য-সচিবও হইবেন।
৬। প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম। প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী হইবে-
(ক) দেশের কম বয়সী বালক-বালিকাদের মধ্য হইতে ক্রীড়াক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিশীর প্রতিভা অন্বেষণ করা এবং উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণী পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষার সুযোগসহ বিজ্ঞানভিত্তিক নিবিড় প্রশিক্ষণের জন্য সুযোগ সৃষ্টি এবং পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধা প্রদান;
(খ) উনড়বতমানের কোচ, রেফারী এবং আম্পায়ার তৈরীর উদ্দেশ্যে সম্ভাবনাময় কোচ, রেফারী এবং আম্পায়ারগণের প্রশিক্ষণ প্রদান;
(গ) বিদ্যমান কোচ, রেফারী এবং আম্পায়ারগণের কলাকৌশলগত যোগ্যতা উন্নতমানের করা ;
(ঘ) আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের প্রাক্কালে সকল জাতীয় দলের উপযুক্ত প্রশিক্ষণ প্রদান;
(ঙ) কোচ, রেফারী ও আম্পায়ারগণের জন্য সার্টিফিকেট কোর্স পরিচালনা করা;
(চ) খেলাধুলা সম্পর্কিত তথ্যকেন্দ্র হিসাবে কাজ করা;
(ছ) বই, সাময়িকী, বুলেটিন এবং খেলাধূলা সম্পর্কিত হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করা; এবং
(জ) এই অধ্যাদেশের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলী পরিচালনা করিতে অন্যান্য যাবতীয় কার্যক্রম গ্রহণ এবং ঐ সকল বিষয়াদির সহিত সংশ্লিষ্ট এবং উদ্ভুত কার্যাবলী সম্পাদন করা।
৭। বোর্ডের সভা।
(১) বোর্ডের সভা নির্ধারিত স্থানে, সময়ে ও প্রকারে অনুষ্ঠিত হইবে ঃ
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত চেয়ারম্যান কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ও স্থানে এইরূপ সভা অনুষ্ঠিত হইবে।
(২) বোর্ডের সভায় কোরাম গঠনের জন্য নূ্যনপক্ষে চারজন সদস্য উপস্থিত থাকিতে হইবে।
(৩) বোর্ডের সকল সভায় চেয়ারম্যান সভাপতিত্ব করিবেন এবং তাঁহার অনুপস্থিতিতে সভায় উপস্থিত সদস্যগণের মধ্য হইতে তাহাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একজন সদস্য সভাপতিত্ব করিবেন।
(৪) বোর্ডের কোন সভায় প্রত্যেক সদস্যের একটি করিয়া ভোট থাকিবে, এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে চেয়ারম্যানের একটি দ্বিতীয় বা নির্ণয়ক ভোট থাকিবে।
(৫) বোর্ড গঠনের ত্রুটি বা উহাতে কোন শূণ্যতা রহিয়াছে শুধুমাত্র এই কারণে বোর্ডের কোন কার্য বা কার্যধারা বেআইনি হইবে না বা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
৮। মহাপরিচালক-
(১) প্রতিষ্ঠানে একজন মহাপরিচালক থাকিবেন যিনি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত শর্তানুযায়ী নিযুক্ত হইবেন।
(২) মহাপরিচালক একজন পূর্ণকালীন কর্মকর্তা হইবেন এবং প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবেন;
(৩) এই অধ্যাদেশের বিধানাবলী সাপেক্ষে, মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানের সাধারণ কাজকর্ম এবং তহবিল পরিচালনা করিবেন এবং প্রতিষ্ঠানের সাধারণ পরিচালনা ও বোর্ড কর্তৃক প্রণীত নীতিমালা বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকিবেন।
(৪) বোর্ড কর্তৃক যেইরূপ দায়িত্ব অর্পিত হইবে বা যেইরূপ দায়িত্ব নিধর্া রিত হইবে মহাপরিচালক তদনুযায়ী কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন এবং কার্যাদিও পালন করিবেন।
৯। কর্মকর্তা, নিয়োগ, ইত্যাদি।
সরকার কর্তৃক সময় সময় প্রদত্ত বিশেষ বা সাধারণ আদেশ সাপেক্ষে, প্রতিষ্ঠান ইহার সুষ্ঠু পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় বিবেচনা করিলে নির্ধারিত শর্তে কর্মকর্তা এবং অন্যান্য কর্মচারী নিয়োগ করিতে পারিবে।
১০। কমিটি
বোর্ড ইহার কার্যাবলী পরিচালনায় সহযোগিতা করিতে যেইরূপ কমিটি নিয়োগ করা প্রয়োজন বিবেচনা করিবে সেইরূপ কমিটি নিয়োগ করিতে পারিবে।
১১। ক্ষমতা অর্পন
বোর্ড, লিখিতভাবে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লেখিত পরিস্থিতিতে ও শর্তে, যদি থাকে, ইহার ক্ষমতা প্রতিষ্ঠানের চেযারম্যান বা অন্য কোন সদস্য বা কর্মকর্তাকে প্রয়োগের নির্দেশ দিতে পারিবে।
১২। প্রতিষ্ঠানের তহবিল।
(১) প্রতিষ্ঠানের একটি নিজস্ব তহবিল থাকিবে যাহা প্রতিষ্ঠান কতর্ৃক এই অধ্যাদেশের অধীন কোন কার্যক্রমের ব্যয় নির্বাহ করিতে
ব্যবহৃত হইবে।
(২) নিম্নে বর্ণিতভাবে তহবিল গঠিত হইবে-
(ক) সরকার কর্তৃক প্রদত্ত অনুদান;
(খ) সরকারের নিকট ও স্থানীয় সংস্থা হইতে প্রাপ্ত ঋণ;
(গ) সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে, প্রতিষ্ঠান কতর্ৃক প্রাপ্ত বৈদেশিক ঋণ; এবং
(ঘ) প্রতিষ্ঠান কর্তৃক গৃহীত অন্যান্য সকল অর্থ।
(৩) প্রতিষ্টানের সকল অর্থ যে কোন তফসিলী ব্যাংকে রাখিতে হইবে।
১৩। প্রতিষ্ঠানের বাজেট।
- প্রতিষ্ঠান প্রতি আর্থিক বছর শুরুর পূর্বে প্রাক্কলিত আয় ও ব্যয়ের হিসাব এবং সরকারের নিকট হইতে প্রত্যেক অর্থ বছর প্রাপ্তিরজন্য সম্ভাব্য অর্থের পরিমাণ প্রদর্শনপূর্বক বার্ষিক বাজেট সরকারের নিকট অনুমোদনের জন্য পেশ করিবে।
১৪। বিধি এবং প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।
(১) এই অধ্যাদেশের বিধানাবলীর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(২) প্রতিষ্ঠান এই অধ্যাদেশের বিধানাবলী কার্যকর করিবার উদ্দেশ্যে, যে সকল ক্ষেত্রে আবশ্যক ও সমীচীন সেই সকল ক্ষেত্রে, এই অধ্যাদেশ এবং ইহার অধীন প্রণীত বিধিমালার সহিত অসংগতিপূর্ণ নয় এমন প্রবিধানমালা, সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে, প্রণয়ন করিতে পারিবে।
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত সকল বিধি ও প্রবিধানমালা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত হইবে এবং প্রকাশের সময় হইতে উহা কার্যকর হইবে।
১৫। সম্পদ হস্তান্তর, ইত্যাদি।-আপাততঃ বলবত কোন আইন অথবা কোন চুক্তি অথবা সম্মতি অথবা কোন আদেশ অথবা প্রজ্ঞাপনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন এই অধ্যাদেশ প্রবর্তন হইবার পর-
(ক) বাংলাদেশ স্পোর্টস ইনস্টিটিউট, অতঃপর উক্ত ইনস্টিটিউট হিসাবে উল্লেখিত, -এর অস্তিত্ব বিলুপ্ত হইবে;
(খ) সকল প্রকার সম্পদ, অধিকার, ক্ষমতা, কর্তৃক, সুযোগ-সুবিধা এবং উক্ত ইনস্টিটিউটের সকল স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি এই
প্রতিষ্ঠানের নিকট হস্তান্তরিত বা ন্যস্ত হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে;
(গ) উক্ত ইনস্টিটিউটের সকল এবং যে কোন প্রকারের ঋণ, দায়বদ্ধতা এবং প্রতিশ্রুতি সরকার কতর্ৃক অন্যবিধ নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানের ঋণ, দায়বদ্ধতা এবং প্রতিশ্রুতি হইবে;
(ঘ) উক্ত ইনস্টিটিউটের প্রত্যেক কর্মকর্তা ও কর্মচারী এই প্রতিষ্ঠানে বদলীকতৃ হিসাবে গণ্য হইবেন এবং এই প্রতিষ্ঠানে তাহাদের বদলীর অব্যবহিত পূর্বে তাহাদের জন্য যে সকর শর্তাবলী প্রযোজ্য ছিল উহা অব্যাহত থাকিবে যতদিন পর্যন্ত না এই প্রতিষ্ঠানের চাকুরীর অবসান হয় অথবা যে পর্যন্ত না তাহাদের চাকুরীর শর্তাবলী সরকারের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক পরিবর্তিত হয় ঃ
তবে শর্ত থাকে যে, যে কোন কর্মকর্তা অথবা কর্মচারী এই প্রতিষ্ঠান কতর্ৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে, এই প্রতিষ্ঠানে তাহার চাকুরী অব্যাহত না রাখিবার ইচ্ছা পোষণ করিতে পারিবেন।
১৬। যে কোন ক্রীড়া সংস্থার পরিকল্প বদলী।
(১) বর্তমান প্রচলিত কোন আইন বা কোন প্রকার চুক্তিপত্র বা কোন প্রকার আদেশ, দলিল বা বিজ্ঞপ্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবে যে, কোন ক্রীড়া সংস্থার কোন ক্রীড়া প্রশিক্ষণ প্রকল্প, যে নামেই পরিচালিত হউক না কেন, এই প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরিত হইবে।
(২) উপরে উল্লেখিত উপ-বিধি (১) অনুযায়ী বদলীকৃত যে কোন পরিকল্পে, সরকার কতর্ৃক যদি কোন অনুদান দেওয়া হয়, তাহাও এই প্রতিষ্ঠানে বদলীকৃত হিসাবে গণ্য হইবে।
এইচ এম এরশাদ, এনডিসি, পিএসসি
লেফটেন্যান্ট জেনারেল
প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক।
ঢাকা ;
২৭শে সেপ্টেম্বর, ১৯৮৩
শামসুর রহমান
উপ-সচিব
বাঃসঃমুঃ-২০০৪/০৫-২৮১৯কম(বি)-২০০ বই, ২০০৪।
--- সমাপ্ত---