যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১২ মার্চ ২০১৭

মাননীয় প্রতিমন্ত্রী

ড. শ্রী বীরেন শিকদার
প্রতিমন্ত্রী, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়

ড. শ্রী বীরেন শিকদার এম.পি একজন প্রাজ্ঞ ও স্বনামধণ্য রাজনীতিবিদ। বর্তমানে তিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন। ১৯৪৯ সালের ১৬ই অক্টোবর মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার অন্তর্গত সিংড়া গ্রামে তাঁর জন্ম। বেড়ে উঠেছেন একই জল হাওয়ায়। ড. শিকদার বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে তাঁর সংসদীয় আসন মাগুরা-২ হতে নির্বাচিত তিনবারের সংসদ সদস্য।

ড. শিকদার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সমাপন করেন যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীন। পরবর্তীতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হতে। পেশায় তিনি একজন আইন ব্যবসায়ী।

বর্নাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ার রয়েছে এ রাজনীতিবিদের। ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমে রাজনৈতিক জীবনের সূচনা। ১৯৬৮-৬৯ সালে ছিলেন বৃহত্তর যশোর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি। আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনে গঠিত সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদেরও যশোর জেলার আহবায়ক ছিলেন এই নেতা। ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল মূলত সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের হাত ধরে। প্রথম জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হন ১৯৮৫ সালে শালিখা উপজেলা চেয়ারম্যান হিসেবে। পরবর্তীতে ১৯৯৬ সাল থেকে এ পর্যন্ত মহান সংসদের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন তিনবার। জাতীয় সংসদের সদস্য রূপে তিনি বানিজ্য ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্টান্ডিং কমিটির এবং পাবলিক আন্ডার টেকিং কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্টান্ডিং কমিটির সভাপতি হিসেবেও সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

নিজ এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও কল্যাণধর্মী কর্মকান্ডের জন্য তিনি সর্বজনবিদিত। মহম্মদপুর ও শালিখা উপজেলার ভৌত অবকাঠামো নির্মান ও আধুনিক সড়ক যোগাযোগের রূপকার ড. শিকদার এ এলাকার সড়ক উন্নয়ন ও বিভিন্ন ব্রিজ, কালভার্ট তৈরির পাশাপাশি প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে মহম্মদপুর মধুমতি নদীর এলাংখালী ঘাটে নির্মান করেছেন শেখ হাসিনা সেতু। ক্রীড়াপ্রেমী মাগুরাবাসীকে উপহার দিয়েছেন আধুনিক সকল সুবিধা সংবলিত ইনডোর স্টেডিয়াম, প্রতিষ্ঠা করেছেন পূর্নাঙ্গ জেলা স্টেডিয়াম।

বিদ্যোৎসাহী ড. শিকদার মহম্মদপুর, শালিখা উপজেলার মানুষের মাঝে শিক্ষার আলো ছড়াতে প্রতিষ্ঠা করেছেন ০৪টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। সরস্বতী শিকদার স্কুল এন্ড কলেজ, শালিখা, বিহারীলাল শিকদার ডিগ্রি কলেজ, শালিখা, আড়পাড়া ডিগ্রী কলেজ, শালিখা এবং শ্রী বীরেন শিকদার আদর্শ স্কুল এন্ড কলেজ, মহম্মদপুর-আজ পরিণত হয়েছে এ এলাকার মানুষের প্রাণের প্রতিষ্ঠানে। বিহারীলাল শিকদার ডিগ্রী কলেজ ইতোমধ্যে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় জাতীয়করণ হয়েছে।

শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানে ড. শিকদার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে ভূষিত হয়েছেন ‘‘বি আর আম্বেদকর পুরস্কার’’ এবং ২০১৫ সালে অল ইন্ডিয়া ভিক্ষু সংঘ কর্তৃক সম্মানিত হয়েছেন ‘‘লর্ড বুদ্ধ আন্তর্জাতিক শান্তি পুরস্কার’’ এর স্বীকৃতিতে।

ড. শ্রী বীরেন শিকদার ভ্রমন করেছেন পৃথিবীর প্রতিটি মহাদেশীয় অঞ্চলেই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবেও তাঁর ভ্রমন অভিজ্ঞতা রয়েছে। মহান হাউজ অব লর্ডসের আমন্ত্রনে তিনি যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্টে গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বিষয়ে বক্তব্য রেখেছেন। অংশগ্রহন করেছেন গ্লাসগো’তে অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ গেমস, নিউজিল্যান্ডে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট বিশ্বকাপ, ব্রাজিলের অলিম্পিক আয়োজন, ভারতে অনুষ্ঠিত এস এ গেমস এবং ফিফা হেডকোয়াটার্স, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত স্পোটর্স এথিকস এন্ড লিডারশিপ সামিটসহ প্রভূত বিশ্ব ক্রীড়া আয়োজনে। বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন কোরিয়া ও কাজাকস্থানে অনুষ্ঠিত এন্টি ডোপিং কনফারেন্সে, তুরস্কে আয়োজিত OIC যুব ও ক্রীড়া সম্মেলন এবং জাতিসংঘ কর্তৃক আয়োজিত ৬ষ্ঠ ইকোসক যুব ফোরাম ইত্যাদি। ড. শিকদার জাতিসংঘের ইকোসক সম্মেলনে প্রদত্ত ভাষণে SDG অর্জনে বাংলাদেশের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন MDG অর্জনের মত SDG লক্ষ্য অর্জনেও বাংলাদেশের সফলতা থাকবে।

ড. শিকদার ব্যক্তি জীবনে বিবাহিত। তাঁর সহধর্মিনী শ্রীমতি শান্তিলতা শিকদার শিক্ষিত ও গৃহবধু। এই সুখী দম্পতি এক পুত্র ও এক কন্যা সন্তানের জনক-জননী। কন্যা শ্রীমতি বিউটি শিকদার স্নাতকোত্তর শেষে বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত এবং পুত্র শ্রী অমিতাভ শিকদার ব্যবসা প্রশাসনে অধ্যয়ন করেছেন। বর্তমানে একজন পুরোদস্ত্তর পেশাজীবি ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা।

ড. শ্রী বীরেন শিকদার এম.পি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন ১২ জানুয়ারি ২০১৪।


Share with :
Facebook Facebook